পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ‘মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষদের জন্য ন্যায্য মূল্যের বাজার

মোঃ মাঈনুউদ্দিন বাহাদুর
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
৮ নং চাপিতলা ইউনিয়নের মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের মানুষের পাশে দাঁড়ালো ৮নং চাপিতলা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান প্রবাসী জনাব মোঃ সাইদুল হক ভূইয়া সাহেব ।
পবিত্র মাহে রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা বর্তমানের বাজার দর চওড়া হওয়ার কারনে
৮ নং চাপিতলার মধ্য ও নিন্মমধ্যবিত্ত পরিবারের চিন্তা করে সেবামূলক এই প্রতিষ্ঠানটি তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন । চাপিতলা ইউনিয়নবাসীরা জানিয়েছেন জনাব সাইদুল হক ভূইয়া সাহেবের এমন মহৎ কাজকে আমরা স্বাগত জানাই এবং সাইদুল হক ভূইয়া সাহেবর জন্য দোয়া করি উনি যেন ৮ নং চাপিতলার অসহায় মানুষের খেদমত করতে পারে । তারা আরো জানিয়েছেন ৮ নং চাপিতলায় এই প্রথম এমন মহৎ উদ্বেগ নিয়েছেন প্রবাসী জনাব মোঃ সাইদুল হক ভূইয়া সাহেব । তাই আমরা অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত ৮ নং চাপিতলা বাসী জানিয়েছেন আমরা বাজার থেকে এইখানে কম দামে নিত্য পন্য কিনতে পেরে অনেক উপকৃত হচ্ছি যেমন ১, সয়াবিন তৈল কেজি- ১৭৫ টাকা ২, ঢাউলের কেজি -১০২ টাকা ৩, চাউলের বস্তা -১৪৭০ টাকা , ৪,চিনি কেজি – ১১৮ টাকা, ৫,চনাবুট কেজি -৯৫ টাকা ৬, সাদা বুট কেজি – ৫৭ টাকা ৭, পেয়াজ কেজি – ৩৭ টাকা ৮, রসুন কেজি -২১৮ টাকা ৯, মুরী – ৭৮ টাকা কেজি দরে ন্যায্য মূল্য বিক্রি করা হচ্ছে । জনাব মোঃ সাইদুল হক ভূইয়া সাহেব জানিয়েছেন যদি মার্কেটে নিত্য পন্যের দাম উঠা নামা করে তাহলে নিত্য পন্য গুলো ঐ হিসাবে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা হবে । তিনি আরো জানিয়েছেন এই ন্যায্য মূল্যের বাজার প্রতি সাপ্তাহে তিনদিন বিক্রি করা হবে, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার, ও রবিবার বেলা ৩ ঘটিকা হইতে স্থান – চাপিতলা সুপার মার্কেট, বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে ।
ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে পুরো উপজেলায় প্রশংসায় ভাসছেন প্রবাসী জনাব সাইদুল হক ভূইয়া সাহেব । তিনি বলেন সহজ কথায়, আমি বেশি দামে জিনিস কিনে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের মাঝে কম দামে বিক্রি করছি । পবিত্র রমজানে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি’র পাশে দাঁড়াতে আমি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি জানি সমাজের উচ্চবিত্তরা সবকিছু কিনতে পারেন কিন্তুু নিম্নবিত্তের মানুষেরা সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন ‘ত্রাণ’ সুবিধার জন্যে মানুষের কাছে হাত পাততে পারলেও চক্ষু লজ্জার খাতিরে ‘মধ্যবিত্ত’ তাদের কান্না লুকিয়েই রাখে।
এলাকাবাসী জানান প্রবাসী সাইদুল হকের এমন মহৎ কাজের খবর গণমাধ্যমে দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়লে তিনি প্রশংসায় ভাসছেন ।
একজন শিক্ষক বলেন সমাজটা আমাদের সবার মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি- তারা কারো কাছেই হাত পাততে পারে না, আবার কারো অনুদানও গ্রহণ করতে লজ্জাবোধ করেন, তাদেরকে সসম্মানের সাথে ক্রয় ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রবাসী জনাব মোঃ সাইদুল হক ভূইয়া সাহেব উনাকে আমি ধন্যবাদ জানাই।